শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo বাংলাদেশ প্রেসক্লাব,নেত্রকোণা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সাংগঠনিক উন্নয়ন ও মত বিনিময় সভা Logo সাপাহারে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo গাইবান্ধা সরকারি কলেজে নববর্ষের রঙিন আয়োজনে প্রাণের উচ্ছ্বাস Logo বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, নেত্রকোণা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন Logo পহেলা বৈশাখে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন সারসা বার্তার সম্পাদক আব্দুস সালাম গফ্ফার Logo ময়মনসিংহ বিভাগে CNA (Corruption News Agency) চ্যানেলের দায়িত্ব অর্পণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo দেশবরেণ্য আইনজীবী লুৎফর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, আইনী সহযোগিতা প্রাপ্তিতে মতবিনিময় ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন Logo তেল সংকটে পরিবহন খাতে অস্থিরতা Logo ভুয়া ওয়ারেন্টে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সাংবাদিক গ্রেপ্তার, ১৮ ঘণ্টা পর আদালতে মুক্তি Logo পঁয়তাল্লিশ লক্ষ চৌদ্দ হাজার চারশত পঁচিশ) টাকা মু্ল্যের ২৪০.৬০ গ্রাম ওজনের ০২টি স্বর্ণের বারসহ ০১ জন আসামী আটক করেছে বিজিবি
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ।  যোগাযোগঃ 01977306839

সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন মেহেরপুরের পাট চাষীরা।

Reporter Name / ২১৮১ Time View
Update : বুধবার, ৩ আগস্ট, ২০২২, ১২:৪৪ অপরাহ্ণ

 

মাহাবুব ইসলাম, মেহেরপুরঃ মেহেরপুরের তিনটি উপজেলায় চলতি পাট মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও পাটকাঠি থেকে পাট ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার পাটের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাঁসির ঝিলিক।

বুধবার (৩ আগষ্ট) দিনব্যাপী জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অন্য বছরের তুলনায় এবার সময় মত পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাট কেটে তা বিভিন্ন জলাশয়ে জাগ দেওয়া নিয়ে হতাশায় কৃষকেরা। পানির অভাব হলেও চাষীরা পাট কেটে তা নদী, নালা, খাল, বিল, ডোবা ও নিজ পুকুরে জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো এবং হাটে বাজারে তা বিক্রিসহ সব মিলিয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন মেহেরপুরের পাট চাষীরা।

তবে রিবন রেটিং পদ্ধতিতে আঁশ ছাড়ানোর জন্য কৃষি বিভাগ কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করলেও কৃষকদের তাতে আগ্রহ নেই।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, এ বছর মেহেরপুরের তিনটি উপজেলায় ২১ হাজার ৫৮০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২৫০ হেক্টর বেশি।

বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে ভালো মানের পাটের মূল্য ২৮শ টাকা মণ ও নিম্ন মানের পাটের মূল্য ২৬‘শ টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে।

গাংনী উপজেলার মিনাপাড়া গ্রামের পাট চাষী শরিফুল ইসলাম বলেন, পাট চাষ লাভজনক ভেবে এবছর ৬বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি, মাঠে শুধু পাট আর পাট চারিদিকে শোভা পাচ্ছে। কিন্তু পাট জাগ দেওয়া নিয়ে অনেক পাট চাষীকেই বিপাকে পড়তে হচ্ছে। পানির অভাবে বাধ্য হয়ে নিজ পুকুরেই পাট জাগ দিয়েছি।

মেহেরপুর সদর উপজেলার খোঁকসা গ্রামের কৃষক গোলাম মিয়া জানান, মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি না হওয়ায় পাট নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম তবে পরে বৃষ্টি হওয়ার কারণে ফলন ভালো হয়েছে। তবে পাট পচানোর যায়গা সঙ্কটে জলাশয়ে পাট জাগ দিতে বাড়তি খরচ হচ্ছে। তাছাড়া রিবন রেটিং পদ্ধতি নিয়েও স্পষ্ট কোনো ধারণা নেই আমাদের মত সাধারণ চাষীদের।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার সামছুল আলম বলেন, জমির এক কোণে গর্ত করে নিচে পলিথিন বিছিয়ে সেলোমেশিন দিয়ে বা বৃষ্টির পানি জমা রেখে পাট পচানোর পরামর্শ দিয়েছি আমরা। পাট কাটা শুরু হলেও পানির অভাবে পাট পঁচানো যাচ্ছে না। এ মুহুর্তে ভৈরব সহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে পাট জাগ দেওয়া নিষেধ। তাই খরচ বেশি হলেও রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট জাগ দিতে হবে। অন্যথায় মাঠ কিংবা গ্রামের ছোট ছোট ডোবা বা পুকুরে পানি সেচ দিয়ে পাট জাগ দিতে হবে। এতে করে অন্ততঃ ক্ষতির হাত থেকে কিছুটা হলেও বাঁচবে কৃষক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST