বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo একুশের বইমেলায় শিব্বীর আহমেদ’র ২টি বই কাব্যগ্রন্থ ‘রূপালী জোছনার জল’ এবং প্রবন্ধ ‘নির্বাচিত কলাম’ প্রকাশিত Logo মহেশপুর ইউনিয়ন নবগঠিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে চা আড্ডা ও আলোচনা সভা Logo দৈনিক অপরাধ অনুসন্ধান ৫ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আলোচনা সভা Logo নড়াইলে বিএমএসএস’র পিঠা উৎসব ও সাংবাদিকদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত Logo এইচএসসিতে সাংবাদিক কন্যা ঐশীর সাফল্য অর্জন । Logo নেত্রকোণার কলমাকান্দায় পরীক্ষায় কাংখিত ফলাফল না পাওয়ায় কীটনাশক খেয়ে আত্নহত্যা করে শিক্ষার্থী Logo শেরপুরে কুতথ্য প্রতিরোধে কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মিথ্যা অভিযোগে ৫মামলা Logo জনগনের,নয়নের মণি একজন মানবিক ও সফল ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ জামাল Logo নরসিংদীর শাদমান সরকার সৌমিক উচ্চ মাধ্যমিকে জিপিএ ৫ পেয়েছে
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ।  যোগাযোগঃ 01977306839

সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন মেহেরপুরের পাট চাষীরা।

Reporter Name / ২৩৫ Time View
Update : বুধবার, ৩ আগস্ট, ২০২২, ১২:৪৪ অপরাহ্ণ

 

মাহাবুব ইসলাম, মেহেরপুরঃ মেহেরপুরের তিনটি উপজেলায় চলতি পাট মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও পাটকাঠি থেকে পাট ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার পাটের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাঁসির ঝিলিক।

বুধবার (৩ আগষ্ট) দিনব্যাপী জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অন্য বছরের তুলনায় এবার সময় মত পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাট কেটে তা বিভিন্ন জলাশয়ে জাগ দেওয়া নিয়ে হতাশায় কৃষকেরা। পানির অভাব হলেও চাষীরা পাট কেটে তা নদী, নালা, খাল, বিল, ডোবা ও নিজ পুকুরে জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো এবং হাটে বাজারে তা বিক্রিসহ সব মিলিয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন মেহেরপুরের পাট চাষীরা।

তবে রিবন রেটিং পদ্ধতিতে আঁশ ছাড়ানোর জন্য কৃষি বিভাগ কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করলেও কৃষকদের তাতে আগ্রহ নেই।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, এ বছর মেহেরপুরের তিনটি উপজেলায় ২১ হাজার ৫৮০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২৫০ হেক্টর বেশি।

বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে ভালো মানের পাটের মূল্য ২৮শ টাকা মণ ও নিম্ন মানের পাটের মূল্য ২৬‘শ টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে।

গাংনী উপজেলার মিনাপাড়া গ্রামের পাট চাষী শরিফুল ইসলাম বলেন, পাট চাষ লাভজনক ভেবে এবছর ৬বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি, মাঠে শুধু পাট আর পাট চারিদিকে শোভা পাচ্ছে। কিন্তু পাট জাগ দেওয়া নিয়ে অনেক পাট চাষীকেই বিপাকে পড়তে হচ্ছে। পানির অভাবে বাধ্য হয়ে নিজ পুকুরেই পাট জাগ দিয়েছি।

মেহেরপুর সদর উপজেলার খোঁকসা গ্রামের কৃষক গোলাম মিয়া জানান, মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি না হওয়ায় পাট নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম তবে পরে বৃষ্টি হওয়ার কারণে ফলন ভালো হয়েছে। তবে পাট পচানোর যায়গা সঙ্কটে জলাশয়ে পাট জাগ দিতে বাড়তি খরচ হচ্ছে। তাছাড়া রিবন রেটিং পদ্ধতি নিয়েও স্পষ্ট কোনো ধারণা নেই আমাদের মত সাধারণ চাষীদের।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার সামছুল আলম বলেন, জমির এক কোণে গর্ত করে নিচে পলিথিন বিছিয়ে সেলোমেশিন দিয়ে বা বৃষ্টির পানি জমা রেখে পাট পচানোর পরামর্শ দিয়েছি আমরা। পাট কাটা শুরু হলেও পানির অভাবে পাট পঁচানো যাচ্ছে না। এ মুহুর্তে ভৈরব সহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে পাট জাগ দেওয়া নিষেধ। তাই খরচ বেশি হলেও রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট জাগ দিতে হবে। অন্যথায় মাঠ কিংবা গ্রামের ছোট ছোট ডোবা বা পুকুরে পানি সেচ দিয়ে পাট জাগ দিতে হবে। এতে করে অন্ততঃ ক্ষতির হাত থেকে কিছুটা হলেও বাঁচবে কৃষক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST