কামাল হোসেন. বেনাপোল প্রতিনিধিঃ আসন্ন ঈদের কেনাকাটায় বেনাপোলে বিপণী বিতানগুলো জমে উঠেছে নানা শ্রেণির ক্রেতাদের সমাগমে। মহামারী করোনাসহ নানা প্রতিকুলতায় দু’বছর ‘ব্যবসায়িক লোকসানের’ পর এবার ‘ভালো ব্যবসার’ আশায় নতুন নতুন ডিজাইনের বাহারী পোশাকে বিপনী বিতানগুলো সাজানো হয়েছে। এর স্বত্বাধিকারী, আল-আমিন মাহামুদ মিলন এবার আমাদের মার্কেটটা ব্যতিক্রমভাবে সাজাইয়াছি আমাদের গোল্ডেন গলির ভেতর থেকে ক্রেতা ৫০০ টাকার পণ্য ক্রয় করলে লটারির মাধ্যমে আকর্ষণীয় ৩২ টি পুরস্কার আছে, পুরস্কার গুলো ব্যবস্থা করেছেন সাইমেক্স ফ্যাশন, দিঘি ফ্যাশন, খুশি ফ্যাশন, তামিম ফ্যাশন, অংকন ফ্যাশন, নিরব ফ্যাশন, পপি গার্মেন্টস আলিশা ফ্যাশন, বৈশাখী জুয়েলার্স, তানিশা গার্মেন্টস,এফ আর ইলেকট্রনিক্স, জামান বিকাশ কর্নার। প্রথম পুরস্কার থাকছে এলইডি টিভি ও একটি এন্ড্রয়েড ফোন সহ সর্বমোট ৩২ টি পুরস্কার রয়েছে রেফেল ড্র অনুষ্ঠিত হবে ঈদের চাঁন রাতে। সরেজমিনে ডাব্লু মার্কেট, হাজি মোহাম্মদ উল্লাহ মার্কেট, হিরা সুপার মার্কেট,নিত্যহাট, সহ ফুটপাতের দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। দিঘি ফ্যাশন, এর স্বত্বাধিকারী আব্দুস সাত্তার বলেন, এবারের ঈদে বাজার মাতাচ্ছে নতুন কালেকশন কাঁচা বাদাম, পুস্পা,সারারা,জারারা ও রেডি শাড়ি। ক্রেতারা বলছেন, তুলনামূলকভাবে এবার সকল পোষাকের দাম বাড়লেও সব ধরনের কাপড়ের দাম এবার একটু বেশি চাওয়া হচ্ছে।” বেনাপোলে ডাবলু মার্কেটের ‘ এফ আর এলেক্ট্রনিকস এর মিলন হোসেন বলেন, “ঈদ বাজার দুদিনেই জমজমাট হয়ে উঠেছে।বেচাবিক্রি মোটামুটি ভাল।ঈদ যত নিকটে আসছে ক্রেতাদের ভিড় তত বাড়ছে।” এবারের ঈদ বাজারে ক্রেতাদের জিন্স প্যান্ট, গ্যাবার্ডিন প্যান্ট, টি-শার্ট, শর্ট-শার্ট, পাঞ্জাবি ও থ্রি-পিসের চাহিদা রয়েছে। বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে, লেহেঙ্গা, বুটিকস, চোষা, আড়ং, জিপসি, দেশীয় সুতি থ্রি-পিস, ভারতীয় থ্রী পিস, সারারা-জারারা এবারের মূল আকর্ষণ। ক্রেতারা বলেন,এ বছর সারারা ও জারার নামের থ্রি পিস ও টু-পিস মেয়েদের মাথা খেয়েছে!তাদের বায়না মেটাতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি।দাম অনেক বেশি।একটি সারারা থ্রি পিস সাড়ে ৫ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে। “বলেন,এবারের ঈদ বাজারে কাঁচা বাদাম থ্রী পিসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সবাই এসে নতুন পোষাক খোঁজে।কাঁচা বাদাম,সারারা,জারারা নতুন পোষাক হওয়ায় এগুলোর চাহিদা ও বেচাবিক্রিও বেশ ভালো। “কাঁচা বাদাম থ্রি পিস ও ফতুয়ার প্রিন্ট প্রায় কাছাকাছি। এসব কাপড়ের বেশিরভাগ জুড়েই বাদামের ছবি স্ক্রিনপ্রিন্ট করা।” এদিকে ফুটপাতের দোকানগুলোতেও কেনাকাটা জমে উঠেছে।মূল্য নাগালের মধ্যে থাকায় স্বল্প আয়ের মানুষগুলো ঈদের কেনাকাটা সারছে এ দোকানগুলোতেই।