রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo সাপাহারে ভুয়া পরীক্ষার্থী সনাক্ত কাণ্ডে তদন্ত টিম গঠণ Logo আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষ্যে শহীদদের প্রতি বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার শ্রদ্ধাঞ্জলি Logo বেনাপোল চেকপোস্টে এবছর  উদযাপন হচ্ছে না আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস অমর একুশ। Logo সাংবাদিক মোস্তফা খানের জন্মদিন আজ Logo ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীতা ঘোষণা দিলেন শিক্ষক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মনজুরুল হক Logo সিএমপি ইপিজেড থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি Logo DPC বাংলা TVর ২য় বৎসর পদার্পন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo বেনাপোলে মাদকসহ আটক ১ Logo ভালো ফলাফলের জন্যে আত্মবিশ্বাস থাকা প্রয়োজন- Logo শেরপুরে আস্থা প্রকল্পের নাগরিক প্লাটফর্মের সক্রিয়করণ সভা অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ।  যোগাযোগঃ 01977306839

কীভাবে পুলিশের উপর জনগণের আস্থা বাড়ানো যায়

Reporter Name / ৯৯৯ Time View
Update : রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০২২, ৫:১১ পূর্বাহ্ণ

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,যুক্তরাষ্ট্র সিনিয়র প্রতিনিধিঃএনজেবিডিনিউজ এডিটর ও সাংবাদিক মোঃনাসির বাপসনিঊজকে বলেন ,কয়েক মাস আগের কথা। আমি নিউ জার্সি Secaucus বাস করি । নিউ জাসি টাউন Gym ত্র যাওয়ার আগে SMS club যাচিছলাম ।যেখানে Member না হলে কেনাকাটি সমভব না ।কিনতু ত্রকজন২১ বছরের মেয়ে আমার গাড়ীতে ধাককা দেয় , সে না দেখে ভুল বসত আমাকে ধাককা দেয় । আমরা ২ জনই
পুলিশ কল করি । পুলিশ ১০ মিনিটের মধে সেখানে আসে । ড্রাইভিং লাইসেন্স সাথে ছিল, কিন্তু গাড়ির ইনস্যুরেন্সের কাগজটি মানিব্যাগে নেই। বিপদে পড়ে বুঝলাম, ওসব ডকুমেন্ট সাথে রাখা কতটা জরুরি।ফোন করি বৌকে -পরে আমার বৌ কাগজপত্র নিয়ে ২০ মিনিটে হাজির।পুলিশ ২ জনকে আলাদাভাবে জিজ্ঞসা করে , প্রথমেই পুলিশ আমাকে জিজ্ঞসা করলো আমি ঠিকঠাক আছি কি না জানতে চেয়ে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং ইনস্যুরেন্সের কাগজ দেখতে চাইলেন। ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখালাম, আর, ইনস্যুরেন্সের কাগজ ।পুলিশ অনলাইনে চেক করে ইনস্যুরেন্সের তথ্য খুঁজে বের করলেন। তারপর জানতে চাইলেন, তিনি (পুলিশ) আমাকে এ পরিস্থিতিতে কীভাবে সাহায্য করতে পারেন? আমি বললাম আমি ঠিক আছি।বাসায় যাওয়ার ব্যাপারে কোনো সহায়তা লাগবে কি না আমার ।তারপর আমাদেরকে রিপোর্ট ২ দিনপর জোগার করতে বললেন On line or stop in police station ।কি ভাল পুলিশের ব্যবহার ।এই হলো নিউ জার্সি (আমেরিকা) Secaucus police মতো উন্নত দেশে পুলিশি সহায়তার নমুনা। পুলিশ অফিসার Wise ত্রর নাম ত্রখন মনে পড়েছে।এসব দেশে পুলিশের উপর মানুষের আস্থা অপরিসীম। আপদে বিপদে আক্ষরিক অর্থেই পুলিশ জনগণের বন্ধু।আজ এতদিন পর উপরের ঘটনাটি পাঠকদের জানানোর একটি বিশেষ কারণ আছে। কিছুদিন আগে ঢাকায় বসবাসরত আমার এক পরিচিত লোকের সাথে কথা হচ্ছিল।ঢাকার রাসতায় তাদের গাড়ি দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছিল ।বিপরীত মুখে চলা একটি গাড়ি আরেক ট্রাককে ওভারটেক করতে গিয়ে গাড়ির মুখোমুখি হয়ে গেলে তাদের গাড়ির ড্রাইভার দ্রুত রাস্তা ছেড়ে পাশে খালি মাঠের উপর চলে যায়। পরে একটা গাছের সাথে ধাক্কা লেগে গাড়িটি থামে।গাড়ির গতি খুব বেশি থাকলে তাদের কারো বাঁচার সম্ভাবনা ছিল না। সামনের আসনে বসা দুজন নাকে, পিছনে বসা মানুষের বুকে আঘাত পেলেও সংজ্ঞা হারায়নি। তবে, গাড়ির পাশ থেকে ধাক্কা খেয়ে দুইজন পথচারী কিছুটা আহত হন। গাড়িটার এক পাশ বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওদিকে, গাড়ি-ট্রাকটি দ্রুত হাওয়ায় মিলিয়ে যায়।কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে স্থানীয় কয়েক লোক জড়ো হলেন। পুলিশের কোন খবর নেয় ।পথচারীকে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে ত্রকজন পাচ হাজার টাকা চেলেন কিনতু উনার পকেটে চার হাজার টাকা থাকায় ঐ টাকা দিলেন।পরদিন সেই আহত লোকটি ফোন দিয়ে বলেন চিকিৎসার জন্য আরও টাকা দরকার। এযাবৎ কত খরচ হয়েছে জানতে চাইলে লোকটি জানালেন প্রায় চার হাজার টাকা। তার হাতে দুই হাজার টাকা দিয়ে তাকে হাসপাতালে রেখে চলে গেছেন। তার মানে, মোট টাকার অর্ধেকের খবর নেই।এতো বড় দুর্ঘটনায় পুলিশের কোনো সহায়তা নেওয়া হয়নি কেন বা দুর্ঘটনা যে গাড়ি-ট্রাকের কারণে ঘটেছে সেটি চিহ্নিত করার ব্যবস্থা নিতে পুলিশের শরণাপন্ন হলো না কেন?সে তার এক হতাশাজনক অভিজ্ঞতা আমার কাছে তুলে ধরল।কয়েক গতবছর আগে নাকি তার গাড়িকে আরেক গাড়ি পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে চলে গেলে সে পুলিশের সাহায্য নিয়েছিল। পুলিশ থানায় আলামত হিসেবে আটকে রাখতে চেয়েছিল তার গাড়ি। দুর্ঘটনার জন্য দায়ী গাড়িকে ধরার চেষ্টা তো দূরের কথা। বরং, গাড়ির কাগজপত্রের বিভিন্ন ভুলত্রুটি ধরে তার কাছ থেকে হাজার ছয় টাকাও নিয়ে নিয়েছিল সেদিন। এ ঘটনা মনে হতেই এতো বড় দুর্ঘটনা সত্ত্বেও তারা সে রাতে পুলিশের সাহায্য চায়নি। বাংলাদেশের পুলিশের উপর সাধারণ মানুষের আস্থা কোন পর্যায়ে নেমেছে তা এই একটি ছোট ঘটনা থেকে আঁচ করা যায়।বাংলাদেশে পুলিশ নিয়ে এতো অসন্তোষ কেন?’—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে কিছুদিন আগে বিবিসি বাংলা একটা জরিপ চালায়। ঢাকার একজন বেসরকারি চাকরিজীবী পুলিশ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বিবিসিকে বলেন, ‘একটা আতঙ্কের নাম পুলিশ। আস্থার চেয়ে অনাস্থাই বেশি। কারণ, তারা নিজেদের জনগণের প্রভু হিসেবে বিবেচনা করে।’একই প্রশ্নের উত্তরে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘পুলিশ বলপূর্বক অর্থ আদায় বা ঘুষের সাথে ব্যাপকভাবে জড়িত। আমাদের গবেষণায় ৭০ শতাংশ মানুষই বলেছেন ঘুষ না দিলে কোনো সেবাই পাওয়া যায় না।’ তার মতে এর সাথে রয়েছে, পেশাদারিত্বের ঘাটতি আর ক্ষমতার অপব্যবহার। নিয়োগ পদোন্নতি বদলিতে পেশাদারিত্বের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো রাজনৈতিক প্রভাব।গত ৩৩বছর ধরে আমি দেশের বাইরে অবস্থান করলেও পত্রপত্রিকার কল্যাণে দেশের খবর নিয়মিত রাখি। রাজনৈতিক প্রভাবে বাংলাদেশের পুলিশ নিয়ন্ত্রিত হয় একথা কোনো বিশেষ দৃষ্টান্ত ছাড়াই স্বীকার করে নেওয়া যায়।জনগণকে সেবাদানের চেয়েও পুলিশের দায়িত্ব হয়ে পড়ে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালীদের সন্তুষ্ট রাখা বা সেবা দেওয়া। সেই সেবা যে সবসময় নিয়মনীতির ভেতরে থেকে হয় তাও কিন্তু নয়। অর্থাৎ, রাজনৈতিক প্রভাবে আইনের পাশাপাশি পুলিশের বেআইনি ব্যবহারও হয় বিস্তর। এঅবস্থা কেবল বর্তমান সরকারের আমলে নয়, কয়েক দশক থেকেই দেশে এ অসুস্থ পরিবেশ বিরাজ করছে। ফলে, ট্রিপল নাইন-এ ফোন দিয়ে সেবা পাওয়াও সবার ভাগ্যে জোটে না।পুলিশকে ভালো কাজের জন্য পুরস্কার এবং মন্দ কাজের জন্য সাজা দিতে হবে। তবেই, পুলিশ যথাযথ দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত হবে। অথচ, আমাদের দেশে পুরস্কার বা সাজা যথাযথ বিবেচনায় দেওয়া হয় না।

পুলিশে পেশাদারিত্ব বাড়াতে রক্ষাকারী এই সংস্থাকে প্রভাব মুক্তভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে হবে। বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কর্মকাণ্ড মনিটরিংয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ কাজে প্রয়োজনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি, পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো থেকে বিভিন্নসময় দক্ষ পুলিশ সদস্যদের দেশে এনে আমাদের পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ট্রেনিং দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি, জনগণের কাছে পুলিশের জবাবদিহিতা বাড়াতে হবে। এই সংস্থাকে জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে না পারলে পুলিশের প্রতি আস্থাহীনতা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ত্বরান্বিত করবে। তখন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাবে; ঘরে-বাইরে, রাস্তা-ঘাটে নিরপরাধ মানুষের ভোগান্তিও উঠবে চরমে। পুলিশ হবে A Police Officer serves to maintain law and order in local areas by protecting members of the public and their property, preventing crime, reducing the fear of crime and improving the quality of life for all citizens.


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST