রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo তালতলীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo সাপাহারে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন Logo মানুষ মানুষের জন্য, এটাই আমাদের প্রত্যয়’ — স্বপ্নসিঁড়ি সংগঠনের উদ্যোগে হুইলচেয়ার বিতরণ Logo শেরপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের দুর্ব্যবহারের অভিযোগ; ভুক্তভোগী পরিবারের মানববন্ধন Logo আসন্ন নিশানবাড়ীয়া ইউপি নির্বাচন: গণসংযোগে ব্যস্ত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাহিদুল হক সোহাগ Logo দশ বছর পর জবিতে মঞ্চ মাতালেন নগরবাউল জেমস Logo চারঘাট সীমান্তে ৩০ হাজার ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স জব্দ Logo সিএমপির ওপেন হাউজ ডেতে নাগরিকদের অভিযোগ শুনলেন কমিশনার, মিলল তাৎক্ষণিক সমাধান Logo সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার বিচার দাবিতে নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসকের কাছে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের স্মারকলিপি Logo শেরপুরে ব্রিজের নিচে অজ্ঞাতনামা নারীর লাশ: ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ।  যোগাযোগঃ 01977306839

স্ত্রী ও ছেলের হাতে খুন হন আলমগীর

Reporter Name / ৩৯১ Time View
Update : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ

 মোঃ মতিউর রহমান জেলা রিপোর্টার বাংলাদেশ দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ায় প্রবাসী আলমগীর হোসেন (৪০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। ঘরের বাইরে ‘অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের হামলা’র সাজানো গল্প ছাপিয়ে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের চিত্র। মূলত পারিবারিক কলহের জেরে নিজ ঘরেই স্ত্রী ও সন্তানের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন আলমগীর। গত শুক্রবার বিকেলে পুলিশের দেয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ। এতে জানানো হয়, হত্যাকাণ্ডের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে নিহতের স্ত্রী রহিমা বেগম (৩৫) ও ছেলে রবিউল হাসান রাকিবকে (১৮) গ্রেপ্তার করেছে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ। শুক্রবার ভোরে উত্তর পদুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ‘ধামা দা’ উদ্ধার করা হয়। তাদের আদালতে প্রেরণ করা হলে নিজেদের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পুলিশ। দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ হিলাল উদ্দীন আহমেদ জানান, ভিকটিম আলমগীরের সাথে তার প্রথম স্ত্রী রহিমার দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। দ্বিতীয় বিয়ের জেরে ২০০৭ সাল থেকে তাদের দূরত্ব তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে রহিমা সন্তানদের নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করেন। ৮–৯ মাস আগে আলমগীর দেশে ফিরে পুনরায় তাদের বাড়িতে নিয়ে এলেও ঝগড়া থামেনি। ওসি মোহাম্মদ হিলাল উদ্দীন আহমেদ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আরও বলেন, গত ২৮ এপ্রিল রাতে ঝগড়ার একপর্যায়ে আলমগীর উত্তেজিত হয়ে স্ত্রীর মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলেন এবং দা দিয়ে ভয় দেখান। এতে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে মা ও ছেলে মিলে পাল্টা আক্রমণ করে। তারা ঘরে থাকা গাছ কাটার ধামা দা দিয়ে আলমগীরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। ঘটনার পর অপরাধ আড়াল করতে আসামিরা এলাকায় প্রচার করেন যে, রাতে আলমগীর ঘর থেকে বের হলে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে পালিয়ে গেছে। ওসি বলেন, শুরু থেকেই আসামিদের কথায় অসংলগ্নতা পাওয়ায় আমরা পারিপার্শ্বিক তথ্য ও ফরেনসিক আলামত বিশ্লেষণ শুরু করি। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মা ও ছেলে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST