মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo ঐতিহ্যবাহী নরসিংদী সরকারি কলেজে পিঠা উৎসব Logo ঝালকাঠিতে নুরুল হক নুরের জন্মদিন পালিত Logo সাপাহারে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ Logo যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন তালুকদার রচিত “হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এবং শান্তিবৃক্ষ শেখ হাসিনা” দু’টি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন Logo শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিলুপ্ত প্রজাতির মেছো বাঘ উদ্ধার Logo সাপাহার মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মনিরুল, সম্পাদক বক্কার Logo  সীমান্ত সম্রাট জামাল উদ্দীন পুলিশের হাতে আটক Logo শিবপুর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo আসহায় পিছিয়ে পরা আদিবাসি নারীর সম্পত্তি বেদখলের পায়তারা স্থানীয় ভূমিদস্যুর Logo রংপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হাজিরহাটে মারপিট, আহত ৩
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ।  যোগাযোগঃ 01977306839

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিঙাপোতা হাওরের দক্ষিণ – পশ্চিমাংশে আহম্মদ খালী’র (আদর্শনগর) ইতিকথা

Reporter Name / ২৪১ Time View
Update : শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১:০৩ অপরাহ্ণ

হাওর বন্ধু মোঃ ইকবাল হোসেন আহম্মদ খালী নাম পরিবর্তন হয়ে কিভাবে আম্মকখালী খাল হল – তা-ই হচ্ছে আজকের আলোচ্য বিষয়। ১৪০/১৫০ বছর পূর্বে ডিঙাপোতা হাওরে জলাশয় ছিল। জলাশয়ে ধান একেবারেই চাষ করা যেত না।ধান চাষ করা হত খিলক্ষেতে।নীচের জলাশয় থেকে কাঠের তৈরি /চাউ গছের তৈরি সেচ যন্ত্রের (খোন) মাধ্যমে পানি সেচ দিয়ে ধান আবাদ করতে হতো।সেই সময় সেলু মেশিন/পাওয়ার পাম্প ছিল না। একদা ছয়াশী গ্রামের আহম্মদ তালুকদার স্বপ্ন দেখতে লাগলেন ডিঙাপোতা হাওরের জলাশয়ের মধ্যে ধান চাষ করা যায় কিনা?পরে কামারগাঁও, ছয়াশীএবং জনদপুর গ্রামের লোকজন এর সাথে তিনি মত বিনিময় করেন।এতে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, ডিঙাপোতা হাওর থেকে সরকারি পতিত জমি নিয়ে একটি ফল্লা (চড়া) করা যেতে পারে।তাতে ডিঙাপোতা হাওরের জলাশয়ের পানি ধলাই নদীতে নেমে যাবে। ফলে বোর ধান চাষ করা যাবে অনায়াসে। তাই উপরোক্ত সিদ্ধান্ত মোতাবেক সকলের সহযোগিতায় একটি ফল্লা (চড়া) করা হলো।এতে ডিঙাপোতা জলাশয়ের পানি ধলাই নদীতে নেমে আসে।ফলে বোর ধান চাষ করা হয় এবং চড়া/ফল্লা দিয়ে পানি চলাচল করায় খালে পরিনত হলএবং এ খালের নাম দেয়া হল আহম্মদ খালী। কিন্ত দুঃখের বিষয় এতে করে কামারগাঁও, ছয়াশী,জনদপুর গ্রামের মানুষের লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশী হয়ে গেল।উপরের খিলক্ষেতে আর রোপণ করা যায় না,পানি নীচে নেমে যায়। পক্ষান্তরে লাভ হয়ে গেল পাবই,নলজুরী,পালগাঁও,সেওরাতলী,মল্লিকপুর,তেতুলিয়া,নারাইচ,ভাটিয়াসহ অপরাপর গ্রামগুলোর।ফলে বিভিন্ন গ্রামের মানুষ বলাবলি করতে লাগল আহম্মদ তালুকদার আম্মকের কাজ করেছে। পরে এলাকার মানুষজন আহম্মদ খালী নাম পরিবর্তন করে বলতে লাগল আম্মকখালী খাল।তাই খালের নাম আম্মকখালী বলেই ডাকতে লাগল এবং তখন থেকেই আহম্মদ খালী খাল থেকে হয়ে গেল আম্মকখালী খাল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST