শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য এবং চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি Logo বাংলাদেশ প্রেসক্লাব,নেত্রকোণা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সাংগঠনিক উন্নয়ন ও মত বিনিময় সভা Logo সাপাহারে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo গাইবান্ধা সরকারি কলেজে নববর্ষের রঙিন আয়োজনে প্রাণের উচ্ছ্বাস Logo বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, নেত্রকোণা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন Logo পহেলা বৈশাখে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন সারসা বার্তার সম্পাদক আব্দুস সালাম গফ্ফার Logo ময়মনসিংহ বিভাগে CNA (Corruption News Agency) চ্যানেলের দায়িত্ব অর্পণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo দেশবরেণ্য আইনজীবী লুৎফর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, আইনী সহযোগিতা প্রাপ্তিতে মতবিনিময় ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন Logo তেল সংকটে পরিবহন খাতে অস্থিরতা Logo ভুয়া ওয়ারেন্টে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সাংবাদিক গ্রেপ্তার, ১৮ ঘণ্টা পর আদালতে মুক্তি
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ।  যোগাযোগঃ 01977306839

প্রকৃতির তৈরি রহস্যময় ‘ঝুলন্ত সেতু’ ভ্রমনের আজই ঘুরে আসুন।

Reporter Name / ২৩০৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২, ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ

হাফিজুর শেখ যশোর ডেক্সরিপোর্টঃ
র্কংটক্রিট কিংবা লোহার তৈরি সেতু তো হরহামেশাই দেখেন, তবে কখনো কি জীবন্ত সেতু দেখেছেন? বলছি মেঘালয় রাজ্যের বিখ্যাত সব ঝুলন্ত সেতুর কথা।
মেঘালয়ের ৭২টি গ্রামজুড়ে বর্তমানে ছোট-বড় ১০০টি জীবন্ত রুট ব্রিজ আছে। এই সেতুগুলোর কারণে সম্প্রতি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের অস্থায়ী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে মেঘালয়।মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড কে সাংমা টুইটারে এই ঘোষণা দিয়েছেন। এই সেতুগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে ‘জিংকিয়েং জেরি: লিভিং রুট ব্রিজ কালচারাল ল্যান্ডস্কেপস অব মেঘালয়’।সেতুগুলো প্রাকৃতিকভাবেই তৈরি হয়েছে। কবে ও কীভাবে এসব সেতু তৈরি হয়েছে তা জানা না গেলেও চেরাপুঞ্জির সেতুগুলোর প্রথম লিখিত রেকর্ড ১৮৪৪ সালের এশিয়াটিক সোসাইটি অব বেঙ্গল জার্নালে পাওয়া যায়।সেখানে আদিবাসী খাসি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠিরা বসবাস করেন। ইউনেস্কোর মতে, ‘এই কাঠামোগত ইকোসিস্টেম শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চরম জলবায়ু পরিস্থিতিতে মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে গভীর সম্প্রীতি ঘটিয়েছে।’
শুধু মেঘালয়েই নয় বরং এ ধরনের জীবন্ত সেতু বিশ্বের সবচেয়ে আর্দ্র অঞ্চলে দেখা যায়। মেঘালয়ের এই সেতুগুলো আশপাশের ৭৫টিরও বেশি প্রত্যন্ত গ্রামে সংযোগের সুবিধা দেয়।
এ ধরনের সাসপেনশন ব্রিজগুলো তৈরির পেছনের রহস্য হলো, নদী বা খালের আশপাশের গাছগুলোর সঙ্গে শিকড়গুলোও শক্তিশালী ও আকারে বাড়ে। এভাবেই তৈরি হয় প্রাকৃতিক ঝুলন্ত সেতু।
এ ধরনের সেতুগুলো খুবই মজবুত হয়। মেঘালয়ের সবচেয়ে বড় লিভিং রুট ব্রিটটির বয়স আনুমানিক ১৫০ বছরেরও বেশি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। একসঙ্গে ৫০ জন এই সেতু দিয়ে চলাচল করতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST