শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo বড়াইগ্রামে জামায়াতের বিশাল গণমিছিল: ‘জুলাই গণহত্যার বিচার ও গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে’ Logo ফুলপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান Logo ৫ ই আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে শার্শায় শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য আটক করেছে বিজিবি Logo ডিহি ইউনিয়নে জনসেবায় পরিচিত মুখ মোঃ ওলিয়ার রহমান সরদার, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বাড়ছে আলোচনা Logo গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শন, অনিয়মে ক্ষোভ—ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস Logo উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাসিক সমন্বয় সভায় এমপি আজীজুর রহমান : ব্যবসায়িক চিন্তা ছেড়ে মানবিক সেবা দিন Logo সাপাহারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চারা রোপণ Logo নালিতাবাড়ীতে মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo সাপাহারে প্রেসিডেন্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের গ্র্যান্ড ওপেনিং অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ।  যোগাযোগঃ 01977306839

প্রকৃতির তৈরি রহস্যময় ‘ঝুলন্ত সেতু’ ভ্রমনের আজই ঘুরে আসুন।

Reporter Name / ২৫৩২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২, ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ

হাফিজুর শেখ যশোর ডেক্সরিপোর্টঃ
র্কংটক্রিট কিংবা লোহার তৈরি সেতু তো হরহামেশাই দেখেন, তবে কখনো কি জীবন্ত সেতু দেখেছেন? বলছি মেঘালয় রাজ্যের বিখ্যাত সব ঝুলন্ত সেতুর কথা।
মেঘালয়ের ৭২টি গ্রামজুড়ে বর্তমানে ছোট-বড় ১০০টি জীবন্ত রুট ব্রিজ আছে। এই সেতুগুলোর কারণে সম্প্রতি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের অস্থায়ী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে মেঘালয়।মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড কে সাংমা টুইটারে এই ঘোষণা দিয়েছেন। এই সেতুগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে ‘জিংকিয়েং জেরি: লিভিং রুট ব্রিজ কালচারাল ল্যান্ডস্কেপস অব মেঘালয়’।সেতুগুলো প্রাকৃতিকভাবেই তৈরি হয়েছে। কবে ও কীভাবে এসব সেতু তৈরি হয়েছে তা জানা না গেলেও চেরাপুঞ্জির সেতুগুলোর প্রথম লিখিত রেকর্ড ১৮৪৪ সালের এশিয়াটিক সোসাইটি অব বেঙ্গল জার্নালে পাওয়া যায়।সেখানে আদিবাসী খাসি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠিরা বসবাস করেন। ইউনেস্কোর মতে, ‘এই কাঠামোগত ইকোসিস্টেম শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চরম জলবায়ু পরিস্থিতিতে মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে গভীর সম্প্রীতি ঘটিয়েছে।’
শুধু মেঘালয়েই নয় বরং এ ধরনের জীবন্ত সেতু বিশ্বের সবচেয়ে আর্দ্র অঞ্চলে দেখা যায়। মেঘালয়ের এই সেতুগুলো আশপাশের ৭৫টিরও বেশি প্রত্যন্ত গ্রামে সংযোগের সুবিধা দেয়।
এ ধরনের সাসপেনশন ব্রিজগুলো তৈরির পেছনের রহস্য হলো, নদী বা খালের আশপাশের গাছগুলোর সঙ্গে শিকড়গুলোও শক্তিশালী ও আকারে বাড়ে। এভাবেই তৈরি হয় প্রাকৃতিক ঝুলন্ত সেতু।
এ ধরনের সেতুগুলো খুবই মজবুত হয়। মেঘালয়ের সবচেয়ে বড় লিভিং রুট ব্রিটটির বয়স আনুমানিক ১৫০ বছরেরও বেশি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। একসঙ্গে ৫০ জন এই সেতু দিয়ে চলাচল করতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST