শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, ময়মনসিংহ মহানগর শাখার আহবায়ক পদে C N A  জেলা প্রতিনিধি নূরে আলম মনোনীত Logo চট্টগ্রাম মহানগরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন Logo আশার উদ্যোগে মৎস্যচাষে উন্নয়নের বার্তা: নওয়াপাড়ায় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ Logo সম্মিলিত মানবাধিকার জোট, নেত্রকোণা জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা Logo অভয়নগরে শফিকুল হত্যার রহস্য উদঘাটন, মূল আসামি গ্রেফতার Logo কেশবপুরে বিয়ে–প্রতারণার নাটক’: প্রভাষক রফিকুলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে Logo অভয়নগরে মেহেদী-রূপার বিরুদ্ধে ভিডিও ছড়িয়ে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ও থানায় অভিযোগ Logo কেন্দুয়া উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন Logo সন্ধ্যা আলো জ্বলুক তাছলিমা আক্তার মুক্তা Logo ভোজ্য ও জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ এবং পাচার প্রতিরোধ, আভিযানিক সফলতা, আসন্ন কোরবানি ঈদ উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচি
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ।  যোগাযোগঃ 01977306839

ছোট ভাইয়ের আবাদি জমিতে সেচ দিতে বড় ভাইয়ের বাঁধা

Reporter Name / ১৭২২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ জুন, ২০২৩, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ

 মিজানুর রহমান মিলন, শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি : প্রচন্ড খড়তাপে পুড়ছে বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে কৃষক আব্দুল মোমিন(৩৫) এর কচু আবাদ। সেই জমিতে সেচের জন্য পানি দিতে বাঁধা সৃস্টি করছেন আপন বড় ভাই আব্দুর রশিদ(৫০)। জমিটিতে সেচের পানি নিতে হলে বড় ভাইয়ের বাড়ি সংলঘ্ন গলি দিয়েই নিতে হবে। ২ভাই ওই গ্রামের মন্তাজ প্রামানিকের ছেলে। এ নিয়ে সোমবার(৫জুন) সকাল ৮টার দিকে উভয় ভাইয়ের মধ্যে হাতা হাতির ঘটনাও ঘটে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় অভিযোগ হয় নাই। সরেজমিনে বড় ভাই আব্দুর রশিদ জানান, আমার বাড়ির পাশ দিয়ে আমার ছোট ভাই মোমিন সেচের জন্য পানি নিচ্ছিল। আমি বলেছিলাম পাইপ দিয়ে পানি নেয়ার জন্য। কিন্তু সে তা না করেই পানি নিচ্ছিল। আমার স্ত্রী নিষেধ করায় তাঁকে মেরে রক্তাত্ব করেছে। ছোট ভাই আব্দুল মোমিন জানান, প্রচন্ড তাপে আমার আবাদ পুড়ে যাচ্ছে। পানি সেচ দেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। তাই আমার বড় ভাই রশিদ এর বাড়ির গলি দিয়ে আমার কচু বাগানে পানি নিচ্ছিলাম। ওই গলি পায়ে হাঁটার রাস্তার জন্য আমরা সাই ছেড়ে দিয়েছিলাম। যদিও বড় ভাই এখন তাঁর নিজের বলে দাবি করছেন। আবাদ নস্ট হলে আমাদেও পেট চলবেনা। জানতে চাইলে তাঁদের পিতা বৃদ্ধ মন্তাজ প্রামানিক জানান, যে গলি দিয়ে মোমিন জমিতে পানি নিচ্ছিল তা আমাদেও পরিবারের সবার পায়ে হাঁটার জন্য রাখা হয়েছে। আমি আমার সন্তানদেও জমি ভাগ করে দেয়ার সময় সেভাবেই দিয়েছিলাম। ওই গলির জায়গার জন্য আমি রশিদকে তাঁর বাড়ির সাথে এক শতাংশ জমি বেশি দিয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST