শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য এবং চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি Logo বাংলাদেশ প্রেসক্লাব,নেত্রকোণা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সাংগঠনিক উন্নয়ন ও মত বিনিময় সভা Logo সাপাহারে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo গাইবান্ধা সরকারি কলেজে নববর্ষের রঙিন আয়োজনে প্রাণের উচ্ছ্বাস Logo বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, নেত্রকোণা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন Logo পহেলা বৈশাখে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন সারসা বার্তার সম্পাদক আব্দুস সালাম গফ্ফার Logo ময়মনসিংহ বিভাগে CNA (Corruption News Agency) চ্যানেলের দায়িত্ব অর্পণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo দেশবরেণ্য আইনজীবী লুৎফর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, আইনী সহযোগিতা প্রাপ্তিতে মতবিনিময় ও ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন Logo তেল সংকটে পরিবহন খাতে অস্থিরতা Logo ভুয়া ওয়ারেন্টে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সাংবাদিক গ্রেপ্তার, ১৮ ঘণ্টা পর আদালতে মুক্তি
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ।  যোগাযোগঃ 01977306839

নেত্রকোনায় তেল পাম্পে তীব্র সংকট ভোগান্তি বাইক মালিকরা

Reporter Name / ৪৫ Time View
Update : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪৮ পূর্বাহ্ণ

শংকর চন্দ্র সরকার নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি; নেত্রকোনা জেলা সকল উপজেলায় তেলের সংকট দেখা দিয়েছে, তেল আছে, তেল নেই: একটি ‘তেলবাজি’ মহাকাব্য’ ভোর ৪টা। ভোরের স্নিগ্ধ বাতাস নয়, নাকে আসছে পোড়া ডিজেল আর পেট্রোলের সুবাস। বাংলাদেশ কি তবে তেল বিতরণে বিশ্বে প্রথম হতে চলেছে? দায়িত্বশীলদের কথায় তেলের নদী বয়ে যাচ্ছে, আর পাম্পে এসে দেখছি সেই নদী শুকিয়ে মরুভূমি। এক ফোঁটা তেলের জন্য পাম্পের সামনে রাত কাটানো এখন যেন এক নতুন ‘পিকনিক’। মশারি টাঙিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকাটাই শুধু বাকি।বাইক মালিকরা সময় মত চাকরি ক্ষেত্রে যেতে পারছে না, আবার কেউ কেউ বাইকের উপর নির্ভর করে সংসার চালায় তাও পারছে না। চারপাশে শত শত মোটরযান, যেন এখানে কোনো আন্তর্জাতিক হর্ন উৎসব চলছে। কারো হর্ন সুরেলা, কারোটা কর্কশ—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত ‘সিম্ফনি’। পিছন থেকে অবিরাম চিৎকার ভেসে আসছে— ওস্তাদ, সামনে টানো, টানো… আরো টানো। ভাইরে, সামনে তো গাড়ি, না? সামনে তো অনিশ্চয়তা, টানবো কেমনে? ইঞ্জিনের শব্দ আর মানুষের চিৎকারে মনে হচ্ছে, তেলের পাম্প নয়, আমরা বুঝি কোনো মহাকাশ অভিযানের লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। তেলের গোলকধাঁধা কর্তৃপক্ষ বলছেন, “তেল আছে, ভয়ের কিছু নেই।” আর পাম্পের মালিক বলছেন, “তেল নাই, সাপ্লাই নাই।” মাঝখানে আমরা সাধারণ পাবলিক তেলের ড্রাম আর বাইক নিয়ে ‘মিউজিক্যাল চেয়ার’ খেলছি। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে ভোর ৪টা থেকে এখন সকাল ৯টা। গাড়ি একটুও নড়েনি, কিন্তু আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ঠিকই নড়ে গেছে। বা! কি চমৎকার দৃশ্য! এক ফোঁটা তেলের জন্য সারা রাত পাম্পে যাপন—এ যেন এক আধুনিক ত্যাগের মহিমা। ডিজিটাল যুগে তেলের জন্য এই এনালগ লাইন আমাদের বুঝিয়ে দিচ্ছে, দুনিয়া এগোলেও আমরা এখনো সেই ‘লাইন মারার’ যুগেই পড়ে আছি। দেশের তেলের অভাব থাকুক আর না থাকুক, আমাদের এই ‘লাইনের কষ্ট’ নিয়ে রসিকতা করার তেলের (ধৈর্যের) অভাব যেন কোনোদিন না হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST