বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo বাঁশখালীতে মাকে হত্যা: র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১৫-এর যৌথ অভিযানে ছেলে ও পুত্রবধূ গ্রেপ্তার Logo যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)  বিশেষ অভিযানে ৬ কোটি ৬২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ডায়মন্ড ও বিভিন্ন বিদেশী মূদ্রাসহ একজন ভারতীয় নাগরিক আটক। Logo প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে উলাশীর জিয়া খাল পরিদর্শনে করেন যশোর জেলা প্রশাসক Logo চট্টগ্রামে অকটেন সংকটের তাণ্ডব: নগর রাস্তায় লাইনের ভিড়, ঘাটে ট্রলার আটকে হাজারো জেলের দুর্ভোগ Logo নেত্রকোনার পূর্বধলায় অটোরিকশার ধাক্কায় ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু Logo রংপুরে জাল নোট চক্রে র‌্যাবের বড় অভিযান: কারখানা ও সরঞ্জামসহ গ্রেফতার ১ Logo যশোর সীমান্তে জ্বালানি তেল পাচার ঠেকাতে বিজিপির কড়া নজরদারি Logo রাজধানীর রাজারবাগ কদমতলায় মসজিদের জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে মুসল্লীদের মানববন্ধন Logo চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় নতুন কমিটি ঘোষণা Logo যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবৈধ চোরাচালানী মালামাল আটক
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ।  যোগাযোগঃ 01977306839

বাঁশখালীতে মাকে হত্যা: র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১৫-এর যৌথ অভিযানে ছেলে ও পুত্রবধূ গ্রেপ্তার

Reporter Name / ১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ

 বিশেষ প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বহুল আলোচিত মাকে গলা কেটে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি ছেলে মো. কাশেম (২৮) ও তাঁর স্ত্রী নারগিছ আক্তারকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৫, কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়। র্যাব সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ঘটনাটির এজাহারনামীয় এই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত রেহেনা বেগম (৬২) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব বৈলছড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বড় ছেলে প্রবাসে অবস্থান করে নিয়মিত মায়ের চিকিৎসা ও ওষুধের জন্য অর্থ পাঠাতেন। অভিযোগ রয়েছে, ছোট ছেলে কাশেম সেই অর্থ আত্মসাৎ করতেন। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারে বিরোধ চলছিল, যা ক্রমেই তীব্র রূপ নেয়। এই বিরোধের জের ধরে গত বছরের ৫ জুন রাত থেকে ৬ জুন ভোরের মধ্যে কোনো এক সময়ে কাশেম ও তাঁর স্ত্রী নারগিছ আক্তার পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেহেনা বেগমকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। হত্যার পর ঘটনাটি আড়াল করতে রক্তাক্ত কাপড় ঘরের এক কোণে লুকিয়ে রাখা হয়। পরদিন সকালে স্বজনরা গুরুতর অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ড দ্রুতই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং জাতীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. মুক্তার আহমদ বাদী হয়ে ৮ জুন বাঁশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১০)। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। র্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা গ্রেপ্তার এড়াতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে তাঁদের অবস্থান নিশ্চিত করা হয় এবং পরিকল্পিত যৌথ অভিযানের মাধ্যমে অবশেষে তাঁদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST