মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo অভয়নগরে মেহেদী-রূপার বিরুদ্ধে ভিডিও ছড়িয়ে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ও থানায় অভিযোগ Logo কেন্দুয়া উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন Logo সন্ধ্যা আলো জ্বলুক তাছলিমা আক্তার মুক্তা Logo ভোজ্য ও জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ এবং পাচার প্রতিরোধ, আভিযানিক সফলতা, আসন্ন কোরবানি ঈদ উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচি Logo যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য এবং চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি Logo বাংলাদেশ প্রেসক্লাব,নেত্রকোণা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সাংগঠনিক উন্নয়ন ও মত বিনিময় সভা Logo সাপাহারে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo গাইবান্ধা সরকারি কলেজে নববর্ষের রঙিন আয়োজনে প্রাণের উচ্ছ্বাস Logo বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, নেত্রকোণা জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন Logo পহেলা বৈশাখে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন সারসা বার্তার সম্পাদক আব্দুস সালাম গফ্ফার
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ।  যোগাযোগঃ 01977306839

শেরপুরে প্রতিবন্ধী ছেলের যত্নে বৃদ্ধা মাতার ক্লান্তিহীন লড়াই

Reporter Name / ৫০৭ Time View
Update : বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ

 মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:ছেলে বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। মায়েরও বয়স হয়েছে। তবুও ছেলের সেবাযত্নে কোনো কমতি নেই বৃদ্ধা মায়ের। প্রতিবন্ধী ছেলে সিরাজুল ইসলামকে (৫৮) ভালো রাখতে ক্লান্তিহীন লড়াই করে চলেছেন শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার গোসাইপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মাটিয়াকুড়া গ্রামের ৭৫ বছর বয়সী জায়েদা খাতুন।  জায়েদার স্বামী তফিল উদ্দিন মারা গেছেন বছর ৪০ আগে। অভাব অনটনে ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে ৩ ছেলে ১ মেয়েকে নিয়ে তিনি চলে যান ঢাকায়। সেখানে কাজ নেন গার্মেন্টসে। বেতনের টাকায় সন্তানদের বড় করেন। মেয়ে ও ছোট ২ ছেলেকে বিয়ে করান জায়েদা। বড় ছেলে সিরাজুল বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী, করতে পারেনি সংসার।  বয়সের জন্য কাজ করতে না পারায় জায়েদাকে ফিরতে হয় দক্ষিণ মাটিয়াকুড়া গ্রামে। জীবনের সঞ্চয়ের টাকায় ১ টুকরো জমি কিনে তোলেন ঘর। সেই ঘরেই তাদের বসবাস। এলাকাবাসী জানান, জায়েদার ২ ছেলে ঢাকায় লেবারের কাজ করে। যা আয় হয় তাতেই নিজেদের সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হয়। মেয়ে থাকে শ্বশুর বাড়ি। জায়েদার ছেলে সিরাজুল বয়সে বুড়িয়ে গেলেও বুদ্ধিতে শিশুর মতো। ছেলের সেবাযত্ন ও ভরণপোষণে ভিক্ষাবৃত্তি শুরু করেন। ভিক্ষা করে নিজের ও সন্তানের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে বয়সের ভারে নুয়ে পড়ায় ভিক্ষা করতে পারেন না। প্রতিবেশীদের দান- দয়ায় চলে মা-ছেলের জীবন। জায়েদা বলেন, “আমার জীবনে সুখ বলতে কিছু নাই। পেটের পুলা (ছেলে) কই ফেলায়ে দিমু। পুলাডাও বুড়া হয়ে যাইতাছে। আমি কতদিন দেখমু। নিজেই চলতে পারি না। মরে যাই সমস্যা নাই! পুলাডার যেন এডা গতি হয়। তাইলে আমি মরেও শান্তি পামু।”শ্রীবরদী উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, “মাকে বিধবা ও ছেলেকে প্রতিবন্ধী কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। কিন্তু এটা তাদের জীবনধারণের জন্য যথেষ্ট নয়। সহযোগিতার সুযোগ আসলে দেয়া হবে।” শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাবের আহমেদ বলেন, আপনাদের মাধ্যমেই জানতে পারলাম। নিজে গিয়ে দেখবো। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST