শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
Logo আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পক্ষে বর্ণাঢ্য গণমিছিল ও পথসভায় জনসমর্থনের দৃশ্যমান বহিঃপ্রকাশ Logo বেনাপোল গাতিপাড়া সীমান্ত থেকে পিস্তল ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার Logo বেনাপোলে ভারতীয় গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ চেতনানাশক ট্যাবলেট উদ্ধার Logo সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণে কর্মকর্তাগণের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo সাহিত্য শূন্য পদক তাছলিমা আক্তার মুক্তা Logo নালিতাবাড়ীতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Logo শেরপুর-২ আসনে নির্বাচিত হওয়ার মূল হাতিয়ার এখন আঞ্চলিকতার পরিচয় Logo সাপাহারে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন লোকমান আলী Logo যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে অবৈধ চোরাচালানী মালামাল আটক Logo নেত্রকোনায় শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের নগর পরিক্রমা যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে ১৩৮ তম আবির্ভাব বর্ষ স্মরণ পালিত
বিজ্ঞাপন
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ।  যোগাযোগঃ 01977306839

সাপাহারে আম শেষে মালটার দখলে বাজার

Reporter Name / ১৩৫২ Time View
Update : সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৩, ১২:৪১ অপরাহ্ণ

 হারুনুর রশিদ, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: আমের রাজধানী খ্যাত নওগাঁর সাপাহারে আশ্বিনা ও গৌড়মতি আমের মধ্যে দিয়ে প্রায় শেষ পর্যায়ে আমের মৌসুম। এরই মধ্যে বাজার দখল করে বসেছে লেবুজাতীয় ফল “মালটা”। এই অঞ্চলে অন্যান্য ফসলের ন্যায় মালটা চাষ একটি অনুকূলতা এনেছে। বানিজ্যিক ভাবেও মালটা বাজারজাত করে ভালো দাম পাওয়ায় সন্তুষ্ট মাল্টাচাষীরা। বরেন্দ্র ভূমি খ্যাত এই উপজেলার মাটির গুনাগুণ ভালো হবার ফলে সব ধরণের ফসল চাষে অনুকূল। যার একটি অংশ দখল করেছে মালটা। মালটার বাজার মূল্য ও উৎপাদনের হার ভালো থাকায় এই অঞ্চলের কৃষকরা মাল্টা চাষে বেশ আগ্রহ প্রকাশ করছেন। বর্তমানে মালটা চাষ অনেকটাই বিস্তৃত হয়েছে এই এলাকায়। প্রাথমিক অবস্থায় স্বল্প খরচে মালটা চাষ করে লাভবান হবার ফলে এই ফল চাষে কৃষকদের আগ্রহের যেন সীমা নেই। এছাড়াও মালটা চাষ ও উৎপাদনের দিকে লক্ষ্য রেখে বাজারের ফল আড়ৎগুলোতে বানিজ্যিক ভাবে মালটা ক্রয় করছেন আড়ৎদাররা। যা মালটা চাষীদের আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় প্রাথমিক অবস্থায় অনেক কৃষক পরীক্ষামূলক ভাবে মালটা চাষ করছেন। মালটার ফলন ও মাটির অনুকূলতায় মালটা চাষে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন এলাকার চাষীরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মালটা মৌসুমগত ভাবে একবার উৎপাদন হয়। কিন্তু কিছু জাতের মালটা বছরে দুই বার উৎপাদন হচ্ছে । মালটা হারভেস্টের উত্তম সময় হচ্ছে সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাস। তবে কিছু অগ্রীম জাতের মালটা আগষ্ট-সেপ্টেম্বরের মধ্যে হারভেস্ট করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানান মাল্টা চাষীরা। মাল্টা চাষী মাহফিজুর রহমান বলেন, “আমি পরীক্ষামূলক ভাবে ৩শ’টি মালটা গাছ লাগিয়েছিলাম। বর্তমানে প্রতিটি গাছ প্রাপ্ত বয়স্ক হবার ফলে ভালো ফলন হচ্ছে। আমার বাগানে দুই জাতের মালটা চাষ করছি। বারি-১ ও বারি-৩ জাতের মালটা আমার বাগানে রয়েছে। তবে ফলনের দিক থেকে বারি-১ জাতের মালটা অনেকটা অনুকূল। প্রথমে যখন মালটা চাষ করি, তখন বাজারজাতের জন্য অনেকটাই সমস্যা মনে হত। কিন্তু বর্তমানে কিছু আড়ৎদার মাল্টা কেনার ফলে আমরা মালটা বাজারজাত করণে অনেকটা সুবিধা পাচ্ছি”। অনেক মালটা চাষী বলছেন, আমের মৌসুমে যেমন বাইরে থেকে ব্যাপারীগণ আসেন ঠিক তেমনি ভাবে যদি মালটা ক্রয়ের জন্য বাইরে থেকে ব্যাপারী আসতেন সেক্ষেত্রে আমরা আরো বেশি লাভবান হতে পারতাম। আড়ৎদার ফরিদুল ইসলাম জানান, বর্তমান বাজার অনুযায়ী প্রতিমণ মাল্টা ২৬/২৮শ’ টাকায় কেনা হচ্ছে। আমি এসব মালটা ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন ফলের মোকামে পাঠাই। যাতে করে একদিকে যেমন এটি একটি লাভজনক ব্যবসা অপরদিকে কৃষকেরাও সহজেই বিক্রয় করতে পারছেন নিজ জমিতে উৎপাদিত মাল্টা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মনিরুজ্জামান জানান, চলতি বছরে এ উপজেলায় লেবু জাতীয় ফলের চাষ হয়েছে প্রায় ১০০ হেক্টর জমিতে । তার মধ্যে মালটা চাষ হয়েছে ৮০ হেক্টর জমিতে। প্রতি হেক্টরে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০/১২ মেট্রিক টন। এছাড়াও মালটা চাষীদের উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে সার্বিক ভাবে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। যদি বানিজ্যিক ভাবে মালটা বাজারজাত করণের সুবিধা আরো বিস্তৃত করা হয় তাহলে এই অঞ্চলে মালটা চাষ ব্যাপক ভাবে বাড়বে বলে ধারণা করছেন এলাকার মালটা চাষীরা।সাপাহারে আম শেষে মালটার দখলে বাজার হারুনুর রশিদ, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: আমের রাজধানী খ্যাত নওগাঁর সাপাহারে আশ্বিনা ও গৌড়মতি আমের মধ্যে দিয়ে প্রায় শেষ পর্যায়ে আমের মৌসুম। এরই মধ্যে বাজার দখল করে বসেছে লেবুজাতীয় ফল “মালটা”। এই অঞ্চলে অন্যান্য ফসলের ন্যায় মালটা চাষ একটি অনুকূলতা এনেছে। বানিজ্যিক ভাবেও মালটা বাজারজাত করে ভালো দাম পাওয়ায় সন্তুষ্ট মাল্টাচাষীরা। বরেন্দ্র ভূমি খ্যাত এই উপজেলার মাটির গুনাগুণ ভালো হবার ফলে সব ধরণের ফসল চাষে অনুকূল। যার একটি অংশ দখল করেছে মালটা। মালটার বাজার মূল্য ও উৎপাদনের হার ভালো থাকায় এই অঞ্চলের কৃষকরা মাল্টা চাষে বেশ আগ্রহ প্রকাশ করছেন। বর্তমানে মালটা চাষ অনেকটাই বিস্তৃত হয়েছে এই এলাকায়। প্রাথমিক অবস্থায় স্বল্প খরচে মালটা চাষ করে লাভবান হবার ফলে এই ফল চাষে কৃষকদের আগ্রহের যেন সীমা নেই। এছাড়াও মালটা চাষ ও উৎপাদনের দিকে লক্ষ্য রেখে বাজারের ফল আড়ৎগুলোতে বানিজ্যিক ভাবে মালটা ক্রয় করছেন আড়ৎদাররা। যা মালটা চাষীদের আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় প্রাথমিক অবস্থায় অনেক কৃষক পরীক্ষামূলক ভাবে মালটা চাষ করছেন। মালটার ফলন ও মাটির অনুকূলতায় মালটা চাষে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন এলাকার চাষীরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মালটা মৌসুমগত ভাবে একবার উৎপাদন হয়। কিন্তু কিছু জাতের মালটা বছরে দুই বার উৎপাদন হচ্ছে । মালটা হারভেস্টের উত্তম সময় হচ্ছে সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাস। তবে কিছু অগ্রীম জাতের মালটা আগষ্ট-সেপ্টেম্বরের মধ্যে হারভেস্ট করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানান মাল্টা চাষীরা। মাল্টা চাষী মাহফিজুর রহমান বলেন, “আমি পরীক্ষামূলক ভাবে ৩শ’টি মালটা গাছ লাগিয়েছিলাম। বর্তমানে প্রতিটি গাছ প্রাপ্ত বয়স্ক হবার ফলে ভালো ফলন হচ্ছে। আমার বাগানে দুই জাতের মালটা চাষ করছি। বারি-১ ও বারি-৩ জাতের মালটা আমার বাগানে রয়েছে। তবে ফলনের দিক থেকে বারি-১ জাতের মালটা অনেকটা অনুকূল। প্রথমে যখন মালটা চাষ করি, তখন বাজারজাতের জন্য অনেকটাই সমস্যা মনে হত। কিন্তু বর্তমানে কিছু আড়ৎদার মাল্টা কেনার ফলে আমরা মালটা বাজারজাত করণে অনেকটা সুবিধা পাচ্ছি”। অনেক মালটা চাষী বলছেন, আমের মৌসুমে যেমন বাইরে থেকে ব্যাপারীগণ আসেন ঠিক তেমনি ভাবে যদি মালটা ক্রয়ের জন্য বাইরে থেকে ব্যাপারী আসতেন সেক্ষেত্রে আমরা আরো বেশি লাভবান হতে পারতাম। আড়ৎদার ফরিদুল ইসলাম জানান, বর্তমান বাজার অনুযায়ী প্রতিমণ মাল্টা ২৬/২৮শ’ টাকায় কেনা হচ্ছে। আমি এসব মালটা ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন ফলের মোকামে পাঠাই। যাতে করে একদিকে যেমন এটি একটি লাভজনক ব্যবসা অপরদিকে কৃষকেরাও সহজেই বিক্রয় করতে পারছেন নিজ জমিতে উৎপাদিত মাল্টা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মনিরুজ্জামান জানান, চলতি বছ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST