উজ্জ্বল রায়,খানসামা প্রতিনিধিঃখানসামা উপজেলার ৪নং খামারপাড়া ইউনিয়নের দুহশুহ গ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের (আদিবাসী পাড়া) দানিয়াল হেমব্রম এর মেয়ে কাহারোল উপজেলার রামপুর গ্রামের স্বরেন বার্ণার স্ত্রী মৃণা হেমব্রমের (৩৫ বয়স) ওভারিয়ান টিউমার অপারেশন টাকার অভাবে করতে না পেরে তার পরিবার বিষয়টি খানসামা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন কে জানালে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি নিয়ে খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকের সাথে কথা বললে সেখানে অপারেশন করা যাবে বলে জানায়।পরে সফিউল আযম চৌধুরী লায়নের দিকনির্দেশনায় খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডাঃ শামসুদ্দোহা মুকুল এর প্রচেষ্টায় গতকাল অপারেশন সম্পন্ন হয়।রোগী খানসামা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে।বর্তমানে তিনি সুস্থ রয়েছে।ঐ হাসপাতালে টিউমার,প্রসুতি মায়ের অপারেশন সহ অন্যান্য সম্পুর্ণ ফ্রি করা হয়।সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন এর এরকম দিকনির্দেশনা ও ডাঃ শামসুদ্দোহা মুকুলের সাহসিকতা ও প্রচেষ্টা মানুষের মাঝে ব্যাপক সারা ফেলেছে এবং এরকম কাজকে সাধুবাদ জানিয়ে এভাবে সকল মানুষের পাশে দারানো অব্যাহত থাকবে এটাই প্রত্যাশা সকলের। গতকাল বুধবার ইফতারির পরে খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঐ মহিলা রোগীটির খোজ খবর নিতে ছুটে যান খানসামা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন।এছারাও তিনি ভর্তিরত রোগীদের খোঁজ খবর নেন। জানা যায়,ঐ মহিলার কাহারোল উপজেলার রামপুর গ্রামের স্বরেন বার্ণার সাথে বিয়ে হয়েছে কয়েকবছর আগে।বর্তমানে তার ২টি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে।সেই মহিলাটি স্বামীর বাড়ি থেকে বাপের বাড়ি বেড়াতে আসলে সেখানে তার প্রচন্ড ব্যাথা ওঠে।এরপর খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা নিতে আসলে পরীক্ষা করে ওভারিয়ান টিউমার ধরা পড়ে।যা দ্রুত অপারেশন করা দরকার।সেখান কার চিকিৎসক রিস্ক না নিয়ে দিনাজপুরে নিয়ে যাওয়ার কথা রোগীর পরিবারকে জানায়।এরপর টাকার অভাবে অন্য কোথাও নিয়ে যেতে না পারলে খানসামা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন কে রোগীর পরিবার বিষয়টি জানায়।তিনি তাৎক্ষণিক খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকের সাথে কথা বললে রিস্ক হলেও অপারেশন করতে সম্মতি প্রকাশ করে।এরপর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন রোগীর পরিবারকে জানালে তাদের সম্মতিক্রমে ও তার দিকনির্দেশনায় ঐ হাসপাতালের আরএমও ডাঃ শামসুদ্দোহা মুকুলের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় অপারেশন সম্পন্ন হয়। বর্তমানে রোগী সুস্থ রয়েছে।